প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা না করে নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নয়: শিক্ষামন্ত্রী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চান ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি প্রশ্ন করেন, সারা দেশে সরকারিভাবে নতুন কোনো বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে কি না এবং থাকলে তা কবে নাগাদ বাস্তবায়ন করা হবে।
রোববার (১৫ মার্চ) সকাল ১১টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম শুরু হয়।
প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে ৫৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। তিনি জানান, বর্তমান সরকার এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের মানোন্নয়নে গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে ভবিষ্যতে নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
পরে দ্বিতীয় প্রশ্নে এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন জানতে চান, তার নির্বাচনী এলাকায় সরকারিভাবে কোনো টেকনিক্যাল বা ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে কি না এবং থাকলে তা কবে বাস্তবায়ন করা হবে।
লিখিত উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী জানান, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের অধীন 'উপজেলা পর্যায়ে ৩২৯টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপন (২য় পর্যায়)' শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় প্রতি উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে ঢাকা মহানগর এলাকায় এই মুহূর্তে নতুন করে সরকারিভাবে টেকনিক্যাল বা ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট স্থাপনের পরিকল্পনা নেই।
তিনি আরও জানান, ঢাকা-১৮ আসনের নিকটবর্তী ঢাকার পূর্বাচলে একটি টেকনিক্যাল টিচার্স ট্রেনিং কলেজ এবং একটি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপনের লক্ষ্যে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কাছে জমি বরাদ্দের জন্য পত্র পাঠানো হয়েছে। ভূমি বরাদ্দ পাওয়া গেলে পূর্বাচলে এই দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের কার্যক্রম শুরু করা হবে।